সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন
ভয়েস প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের শুরু হচ্ছে রাখাইন ক্রীড়া উৎসব। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী কক্সবাজার শহরের বাহারছড়া গোল চত্বরস্থ মুক্তিযোদ্ধা মাঠে এ আসর শুরু হওয়ার কথা জানিয়েছেন আয়োজকরা।
শনিবার বিকালে কক্সবাজার বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামীকাল রোববার সকাল ১০টায় বাহারছড়া গোল চত্বরস্থ মুক্তিযোদ্ধা মাঠে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন কক্সবাজার-৩ এর মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আলহাজ্ব সাইমুম সরওয়ার কমল।
রাখাইন ক্রীড়া সংস্থা কক্সবাজারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য ১৫দিন ব্যাপী এই উৎসবের আয়োজনে থাকবে ক্রিকেট, ফুটবল, ফানুস উত্তোলন, জলকেলি, রাখাইনদের নিজস্ব খেলাধুলা, রাখাইন নৃত্য ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
ক্রিকেট ও ফুটবল প্রতিযোগিতায় প্রায় ১১টি দল অংশ নিচ্ছে। চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলকে প্রাইজমানি ও ট্রফি দেওয়া হবে। এছাড়া টুর্ণামেন্ট সেরা ও ম্যাচ সেরার জন্য রয়েছে বিশেষ ক্রেস্ট। উৎসবে অংশ নেওয়া দলগুলো হলো- কক্সবাজার রাখাইন ফুটবল ক্লাব, ক্যাংপাড়া রাখাইন ক্রীড়া সংঘ, রাজধানী ফ্রেন্ডস সার্কেল, পশ্চিম বড় বাজার টাইগার্স, রাখাইন ফেসবুক ক্লাব, মহেশখালী বড় রাখাইন পাড়া ক্রিকেট একাদশ, চৌফলদন্ডী ক্রিকেট একাদশ, চৌফলদন্ডী মধ্যম রাখাইন পাড়া ক্রিকেট একাদশ, রেইনবো ওয়ারিয়র্স, বড় বাজার সুপার কিংস, বড়বাজার রাখাইন চ্যালেঞ্জার্স, জমকালো আয়োজনে উৎসবের সমাপনী ঘটবে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার রাখাইন ক্রীড়া সংঘের সভাপতি মং ছেন রাখাইন, চেয়ারম্যান এমএ আজিজ রাসেল, নুরুল কবির পাশা, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন ও ওয়ালটন গ্রুপের সিনিয়ির অপারেটিভ ডিরেক্টর এফ.এম ইকবাল বিন আনোয়ার ডন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, রাখাইন বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসি জনগোষ্ঠী। রাখাইন সম্প্রদায়ের রয়েছে হাজার বছরের পুরোনো সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য। কিন্তু এই জনগোষ্ঠীর অনেকেই শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া চর্চায় পিছিলেয় রয়েছে। তাই পিছিয়ে পড়াদের এগিয়ে নিতে ও দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করতে বিগত ৪ বছর ধরে কক্সবাজারের রাখাইন সম্প্রদায়ের সামাজিক ও ক্রীড়ামূলক প্রতিষ্ঠান রাখাইন ক্রীড়া সংস্থা ও রাজধানী ফ্রেন্ডস সার্কেল যৌথভাবে প্রতিবছর রাখাইন ক্রীড়া উৎসবের আয়োজন করে আসছে কিন্তু বিগত ২ বছর করোনা মহামারির কারণে এই আয়োজন বন্ধ ছিল।
ভয়েস/আআ